২৮ এপ্রিলের পর গণপরিবহন খুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।শুক্রবার গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, ২৮ এপ্রিলের পর সামাজিক দূরত্ব ও সকল স্বাস্থ্যবিধি মেনে লকডাউন শিথিল করা হবে।
এরপর গণপরিবহন চালু হলেও স্বাস্থ্যবিধি মেনেই চলতে হবে। যাত্রীরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহনে উঠবেন এবং যাত্রার সময়েও স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। তবে ‘নো মাস্ক নো সার্ভিস’ এটা শতভাগ বাস্তবায়ন করা হবে।
চলমান নির্দেশনায় ভাড়া কেমন হবে জানতে চাইলে শ্রমিক লীগের এই নেতা বলেন, পরিবহন মালিকরা সবসময় ভাড়া বাড়ানো কথা বলে। সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়েও তারা বেশি ভাড়া আদায় করে। এখনো আগের যে ৬০ শতাংশ বৃদ্ধি ছিলো সেভাবেই চলবে।
‌‘করো’না পরিস্থিতির আগে ঢাকায় কিলোমিটার প্রতি মিনিবাসে ১ টাকা ৬০ পয়সা এবং বড় বাসে ১ টাকা ৭০ পয়সা ভাড়া নির্ধারিত ছিল। দূরপাল্লার পথে কিলোমিটার প্রতি ভাড়া ১ টাকা ৪২ পয়সা। ঢাকায় সর্বনিম্ন ভাড়া আছে মিনিবাসে ৫ এবং বড় বাসে ৭ টাকা।’
হানিফ খোকন আরো বলেন, আইনে থাকলেও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা সরকার নির্ধারিত ভাড়া কখনোই নেয়নি। করো’নাকালে পৃথিবীর কোন দেশেই এভাবে ভাড়া বৃদ্ধি করেনি।এদিকে, চলমান কঠোর লকডাউনের মধ্যেই আগামী ২৫ এপ্রিল (রোববার) থেকে দোকানপাট-শপিংমল খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। শুক্রবার এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
প্রসঙ্গত, করো’নার দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রথম লকডাউন ৫ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে ১১ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত ছিলো। তবে ঢিলেঢালা এই লকডাউনে করো’না সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ না হওয়ায় সরকার ১৪ এপ্রিল থেকে কঠোর লকডাউনের ঘোষণা দেয়। প্রথম দফায় ২১ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত এই লকডাউনের মেয়াদ ছিল। পরে সেটা আরো ৭ দিন বাড়িয়ে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়।
প্রসঙ্গত, করো’নার দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রথম লকডাউন ৫ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে ১১ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত ছিলো। তবে ঢিলেঢালা এই লকডাউনে করো’না সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ না হওয়ায় সরকার ১৪ এপ্রিল থেকে কঠোর লকডাউনের ঘোষণা দেয়। প্রথম দফায় ২১ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত এই লকডাউনের মেয়াদ ছিল। পরে সেটা আরো ৭ দিন বাড়িয়ে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়।