এক ব্যক্তি তার মৃত্যুশয্যায় স্ত্রীকে প্রশ্ন করল, “এই ২৪ বছরের বিবাহিত জীবনে তুমি কি কখনো আমার সাথে প্রতারণা করেছ?”
স্ত্রী মৃদু হেসে উত্তর দিল, “সত্যি কথা বলতে তিনবার করেছি। কিন্তু প্রতিটির পেছনেই কারণ ছিল!”
ব্যক্তিটি কষ্ট ভরা কন্ঠে বলল, “কখনো টেরই পাইনি! বলো, কি সেই কারণ?”
স্ত্রী শুরু করল, “প্রথমবার… বিয়ের পরপরই। আমাদের ঘর বন্ধক হয়ে যাচ্ছিল, মনে আছে? সেদিন রাতেই আমি ব্যাঙ্ক ম্যানেজারের সাথে দেখা করি। পরদিনই তোমার লোন এক্সটেন্ড হয়।”
লোকটি একটি দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, “একটা ঘর বাঁচানোর জন্য? মেনে নিলাম। দ্বিতীয়বার?”
স্ত্রী বলে চলল, “তোমার হার্ট অ্যাটাকের পর সার্জারির টাকা ছিল না। আমি ডাক্তারের সাথে দেখা করি, তিনি বিনামূল্যে তোমার অপারেশন করেন।”
লোকটির চোখ ছলছল করে ওঠে, “তুমি আমার জীবন বাঁচিয়েছ! এটাও মেনে নিলাম। তৃতীয়বার?”
একটু দম নিয়ে স্ত্রী বলল, “মনে আছে তুমি একটা প্রতিষ্ঠানের প্রেসিডেন্ট হতে চেয়ে ভোটে দাঁড়িয়েছিলে? অনেক হিসাবনিকাশ করেও কিছুতেই তুমি সমীকরণ মেলাতে পারছিলে না।”
লোকটি চমকে উঠল, “ওইটার জন্য!”
স্ত্রী নিষ্পাপ ভঙ্গিতে বলল, “আমি বাধ্য হয়ে তোমার প্রতিপক্ষের সাথে সাক্ষাৎ করি, পরদিনই উনি ওনার নাম প্রত্যাহার করে নেন!”
মোরাল অব দ্য স্টোরি: ভালোবাসার হিসাব আর ভোটের হিসাব — দুইটাই অনেক জটিল!
